

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দলীয় পদ-পদবি থেকে গণ-পদত্যাগ করেছেন গোপালগঞ্জের নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলন করে একযোগে ৫০ নেতা-কর্মী গণ-পদত্যাগ করেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলন করে মুকসুদপুর উপজেলার মহারাজপুর, ভাবড়াশুর ও বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন- মুকসুদপুর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাবুল ফকির ও ভাবড়াশুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিধান চন্দ্র বিশ্বাস, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গোবিন্দ বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক গোবিন্দ মন্ডল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন বিশ্বাস, সদস্য সুরেশ মন্ডল, জগদিশ চন্দ্র বিশ্বাস, সমীর কুমার বিশ্বাস, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সুজিত মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মন্ডল, সহ-সভাপতি দিলীপ কুমার মন্ডল, সহ-সভাপতি স্বপন কুমার বিশ্বাস, হরন মন্ডল, সদস্য গণপ্রতি মন্ডল, সদস্য নিত্য বিশ্বাস, ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি মিলন শেখ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল, ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চন্দ্র মন্ডলসহ আওয়ামী লীগের মোট ১৭ জন পদত্যাগ করেন।
অপরদিকে, বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অনিল কৃষ্ণ বাইন, সদস্য বিজন ভক্ত, কৃষক লীগের নির্মল মন্ডল, সদস্য নির্মল কুমার ভদ্র, নূর ইসলাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সুশিল কুমার পোদ্দার, কোষাধ্যক্ষ শুকান্ত টিকাদার, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক হৃদয় কুমার সরকার, ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সরোজিত সরকার, ৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক পরিমল কির্ত্তনিয়া, ৩নং ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি মো. আকরাম শেখ, ৯নং ওয়ার্ডের যুগ্ম সম্পাদক ফেলান সরকার, ৮নং ওয়ার্ডের সহসভাপতি সমরেন্দ্র নাথ রায়, যুগ্ম সম্পাদক বিধান চন্দ্র বাড়ৈ, সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন চন্দ্র বাড়ৈ ও সহ-সভাপতি গোবিন্দ অধিকারীসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা দিজেন রায়, হারাধন বালা, বিপ্লব ঢালী, মিহির কুমার বালা, সুখ লাল পোদ্দার, বিমলেন্দু বালা, সুকান্ত কুমার সরকার, রবীন শীল, দীলিপ বাইন, হরশিৎ অধিকারী, রমনী রঞ্জন বালা, রবিউল শেখ, রুপচাঁদ মৃধা, নিজামুল ইসলাম, মো. মনিরুল ইসলাম মোট ৩২ জন দলীয় সব পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করেন।
তারা সবাই লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের সকল প্রকার পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করলাম। এখন থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই, ভবিষ্যতেও থাকবে না।

