

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার জোহরপুর-টেক সীমান্তের ওপারে ভারতে বিএসএফের হাতে আটকের পর মৃত রবিউল ইসলামের শরীরের ছয় স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে টেলিফোনে এ তথ্য জানিয়েছেন চিকিৎসক শামসুল আলম। তবে এসব আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে নাকি অসুস্থ্যতাজনিত কারণে তা এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত রোববার সীমান্তের ওপারে ভারতীয় ভূখণ্ডে বিএসএফের হাতে আটক হন রবিউল ইসলাম। আটকের কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান। সোমবার রাতে বিএসএফ তার মরদেহ ফেরত দেয় বিএসএফ। মরদেহ ফেরতের সময় বিএসএফ দাবি করে, অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে রবিউল ইসলামের। মৃত রবিউল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের সাতরশিয়া গ্রামের নেজাবুল ইসলামের ছেলে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের ময়নাতদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক শামসুল আলম বলেন, রবিউলের বুক, হাত-পা, গালসহ শরীরের অন্তত ছয়টি স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে আঘাতগুলো লাঠির নয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মরত বিজিবির ৫৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ময়নাতদন্তের লিখিত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিএসএফের কাছে লিখিত প্রতিবাদ জানানো হবে।
এদিকে, মঙ্গলবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফতেপুর সীমান্ত এলাকায় পরিদর্শন ও কম্বল বিতরণ করতে আসেন বিজিবির রাজশাহী সেক্টরের কমাণ্ডার কর্নেল সৈয়দ কামাল হোসেন। তার কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান- সীমান্তে গুলির পরিবর্তে বিএসএফ বিকল্প উপায়ে বাংলাদেশিদের হত্যা করছে কি-না। সৈয়দ কামাল হোসেন বলেন, আমরা বিষয়টি নিশ্চিত নই। তদন্ত চলমান আছে। সে অনুযায়ী আমরা সঠিক তথ্য পাব, আশা করছি।

