

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব এসে পড়েছে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতেও। যার জন্য এই খাতে অতিরিক্ত ৩৬ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। ফলে সরকারকে অতিরিক্ত ৩৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হতে পারে, যা বাজেট ও রিজার্ভ— দুটির ওপরই চাপ তৈরি করবে। সরকার এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় জনগণকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে পরামর্শ দেওয়াসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আমদানিনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ এই বাস্তবতার বাইরে নয় উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রদানের প্রয়োজন হলেও জনগণের কষ্টের কথা মাথায় রেখে সরকার এখনো পর্যন্ত পূর্ণ সমন্বয় না করে পূর্বের মূল্যই বহাল রেখেছে। এই প্রতিকূল বৈশ্বিক পরিবেশের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে।
অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা স্থাপন ও নানামুখী চাপ মোকাবেলা করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ সরকার হাতে নিয়েছে বলে জানান তিনি। অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলো গভীর ও বহুমাত্রিক হলেও সুশাসন, সংস্কার ও জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

