

জাতীয় নির্বাচনে ঢাকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসন হারায় বিএনপি, তার মধ্যে ঢাকা-১৪ অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। ঢাকা চৌদ্দ আসনের অন্তর্গত ১১ নম্বর ওয়ার্ডটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়ার্ড।
আসছে স্থানীয় সরকার ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এই ওয়ার্ডে বিএনপি তাদের আসন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে তাদের জনপ্রিয়তা লাভ করতে চায়। প্রবীণ প্রার্থীদের পাশাপাশি একঝাঁক তারুণ্য নির্ভর ও ক্লিন ইমেজের বেশ কয়েকজন প্রার্থী এবারের আলোচনা রয়েছে।
**মোহাম্মদ আইয়ুব ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতৃত্ব বিগত আন্দোলন সংগ্রামে সরকারি বাঙলা কলেজের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি মহানগর যুবদলের নেতৃত্বে ছিল। ইতিমধ্যে ওয়ার্ডে তিনি তারুণ্য নির্ভর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী দলের পক্ষ থেকে।
**মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এস.এম.রুস্তম আলী মিরপুর থানা ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব। দল মনোনয়ন দিলে তিনি এলাকাবাসীর জন্য কাজ করতে আগ্রহী।
** জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে কেন্দ্রীয় ও কলেজ পর্যায়ে রাজপথে বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেওয়ার পাশাপাশি মামলা হামলার স্বীকার হয়েছেন, পাশাপাশি দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশনায় বিগত দিনগুলোতে হরতাল অবরোধ পালন করতে গিয়ে রাজপথ থেকে কারাবরণ করেছেন, এবং জুলাই আন্দোলনে রাজপথে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।
১১ নং ওয়ার্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যেই তিনি তৃণমূল কর্মীদের এবং জনসাধারণের নজর কেড়েছেন তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যতিক্রমী কর্মকান্ডের মাধ্যমে। দলীয় হাইকমান্ড থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী এই তরুণ প্রার্থী বলেন দল মত নির্বিশেষে সকলকে সাথে নিয়ে তিনি সাম্য ও মানবিক একটি "বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে" ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।
**ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন বলেন বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে আমার ভূমিকা রয়েছে তাতে দল আমাকে সমর্থন দিবে আমি আশাবাদী।
**সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার মোহাম্মদ শামীম পারভেজ পুণরায় নির্বাচনে জয়লাভ করবেন বলে তিনি আশাবাদী। পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে দল তাকে পুণরায় নমিনেশন দিবেন বলে তিনি আশাবাদী।
সর্বোপরি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বর্তমানে বিএনপি সৎ, যোগ্য ও সঠিক ইমেজের নেতৃত্ব সংকটে ভুগছে। যারফলে জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীতা যাচাই বাছাইয়ে তারা তারুণ্য নির্ভর এবং তৃণমূলে আস্থা এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনসাধারণের জন্য জবাবদিহিতা মূলক কাজ করবে প্রার্থী হিসেবে তাকেই বেছে নিবে বলে ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটাররা তাই মনে করেন।

