

জাহিদুল ইসলাম রিফাত, জবি সংবাদদাতা: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রভাবক ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে আন্দোলনের শক্তি জোগানোর কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রশক্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রভাবক ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেকোনো আন্দোলনের সূতিকাগার। তবে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে শক্তি জোগানোর কাজ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাই-বোনেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাঁদের সেই অবদান আমরা আজও স্মরণ করি।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। আন্দোলন চলাকালে আমরা সবসময় অপেক্ষায় থাকতাম, কখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি বড় মিছিল আসবে। প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অসামান্য অবদান রেখেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমরা অনেক বেশি ঋণী।
তিনি আরও বলেন, যুগে যুগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের পর নিজেদের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে পেরেছে। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এখনো নানা ক্ষেত্রে অবহেলিত। বিশ্ববিদ্যালয়টি তেমন বিশেষ কিছুই পায়নি। আবাসন-সংকট, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজের ধীরগতি-সহ বিভিন্ন সমস্যা এখনো রয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক সাবিনা শরমীন, নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের এমপি আবদুল্লাহ আল-আমিন, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান এবং সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার।

