

শহিদ জয়, যশোর: স্ত্রী চলে যাওয়ায় রাগান্বিত হয়ে বটি দিয়ে মায়ের মাথা বিচ্ছিন্ন করলো মামুনুর রশিদ মামুন নামে এক স্কুল শিক্ষক। আজ বৃহষ্পতিবার বিকেলে যশোর সদর উপজেলার বাজেদুর্গাপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত আনোয়ারা বেগম ওই গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেন মাষ্টারের স্ত্রী। ঘাতক ছেলে ঝিকরগাছা উপজেলার লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্না বিশ্বাস জানান, মামুন ব্যক্তিগত জীবনে দুটি বিয়ে করেছেন। প্রায় ৯ বছর আগে তিনি সদর উপজেলার ভেকুটিয়া গ্রামের মিথিলাকে বিয়ে করেন। বনিবনা না হওয়ায় মিথিলাকে তালাক দেন মামুন। এরপর বিয়ে করেন ঝিকরগাছা উপজেলার অমৃতবাজার গ্রামের রিনা নামে এক নারীকে। তার সাথেও দাম্পত্য কলহের কারণে ৬ বছর আগে বিচ্ছেদ হয়। মামুন তার মাকে স্ত্রীদের সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য দায়ী মনে করতেন। এ নিয়ে এর আগেও মায়ের সঙ্গে তার বিরোধ ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল। এমনকি মামুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। যে কারণে মামুন দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে থাকতেন না।
প্রায় পাঁচ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার তিনি বাড়িতে আসেন। বিকেলে মায়ের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে তার মাকে মাটিতে ফেলে ধারালো বটি দিয়ে গালা কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে মামুন বটি ফেলে পালিয়ে যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

