

যশোর প্রতিনিধি: যশোর শহরের আরএন রোডে অবস্থিত ক্যাফে নুর হোটেলের পচা বিরিয়ানি খেয়ে অন্তত ৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী ও তাদের স্বজনরা হোটেলে গিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়।
জানা যায়, যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর-নালিয়া এলাকার কয়েকজন বন্ধু ও সহকর্মী ঈদ উপলক্ষে আড্ডার আয়োজন করেন। এসময় তারা রাত ১০টার দিকে ক্যাফে নুর হোটেল থেকে ২৪ প্যাকেট মুরগি ও খাসির বিরিয়ানি কিনে নেন। পরবর্তীতে কেউ একসঙ্গে বসে এবং কেউ বাড়িতে নিয়ে খাওয়ার পরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে কয়েকজনের পেটে তীব্র ব্যথা ও বমি শুরু হয়। পরিস্থিতির অবনতি হলে আয়োজকরা রাতেই হোটেলে গিয়ে বিষয়টি জানালে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসময় হোটেলের মালিক বকুলকে ওই বিরিয়ানি খেতে দেওয়া হলে তিনি নিজেই খাবারটি নষ্ট বলে স্বীকার করেন। পরে বিক্ষুব্ধদের চাপে তিনি বিরিয়ানির মূল্য ফেরত দেন এবং ভুল স্বীকার করেন।
ভুক্তভোগী মনির হোসেন ও ইসমাইল হোসেন অভিযোগ করে জানান, খাবার নেওয়ার সময়ই এক কর্মচারী তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। পরে খাবার খাওয়ার পরপরই তাদের বমি শুরু হয় এবং গলায় অস্বস্তি দেখা দেয়। তারা এ ধরনের নিম্নমানের খাবার বিক্রির জন্য হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে হোটেলের মালিক বকুল কথা বলতে রাজি হননি।
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে প্রায়ই কাস্টমারদের সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানের ঝামেলা হয়। এছাড়া কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সঙ্গে অশোভন আচরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে আজ সর্বশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ যশোরের সহকারী পরিচালক মো: সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান করতে দেখা গেছে।

