

মো. এমরান হোসেন, ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় গুরুত্বর আহত কিনা কুমার ত্রিপুরার। নিহত কিনা কুমার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের হাজিরখিল চা বাগান এলাকার মাহেন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে।
এর আগের দিন সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের পেলাগাজী দিঘি এলাকায় একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই নিহত তিনজন হলেন মোটরসাইকেল আরোহী নয়ন কর্মকার (১৯), উত্তম উরাং (২০) ও তপু কর্মকার (১৬)। তাঁদের সবার বাড়ি ফটিকছড়ি উপজেলার হারয়ালছড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওর্য়াডের হাজারিখিল রাঙ্গাপানি চা বাগান এলাকার উড়াং পাড়ায়। এ ঘটনায় অন্তত ১৫–২০ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা থেকে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলায় একটি বৌভাত অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দুটি বাস যায়। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে পেলাগাজী দিঘি এলাকায় বাস দুটির একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন এবং অন্তত ১৫–২০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে মঙ্গলবার সকালে আহত কিনা কুমার ত্রিপুরা মারা যান বলে জানান স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য সঞ্জয় ত্রিপুরা।
নাজিরহাট হাইওয়ে থানা ওসি সাহাব উদ্দিন জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে মঙ্গলবারে আরেকজনের মৃত্যুর খবর শুনেছি।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে গিয়ে হতাহতের খবর নেন ফটিকছড়ি আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহীম। এসময় সরোয়ার আলমগীর নিহত পরিবারের প্রতি সমবেদনাসহ নগদ অর্থ প্রদানের ঘোষণা দেন।

