

নিজ দলে ব্যাপক চাপের মুখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার। তার পদত্যাগের দাবি তুলছেন একের পর এক দলীয় আইনপ্রণেতা। খবর, বিবিসি'র।
মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থাটি জানায় ইতোমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন চারজন মন্ত্রণলায় সহযোগী বা পিপিএস (পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি)।
পদত্যাগকারী পিপিএসরা হলেন— উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামির সহযোগী মেলানি ওয়ার্ড, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সহযোগী জো মরিস, পরিবেশমন্ত্রীর সহযোগী টম রুটল্যান্ড ও ক্যাবিনেট অফিসের সহযোগী নওশাবাহ খান।
পিপিএস টম রুটল্যান্ড তার পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, ‘এটি আমার কাছে স্পষ্ট যে, প্রধানমন্ত্রী কেবল লেবার পার্টির পার্লামেন্ট সদস্যদের মধ্যেই নয়, বরং পুরো দেশেই তাঁর কর্তৃত্ব হারিয়েছেন এবং তিনি তা আর ফিরে পাবেন না।’
পিপিএস মেলানি ওয়ার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, কিয়ার স্টারমার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ‘গুরুত্বপূর্ণ কাজ’ করেছেন, তবে গত সপ্তাহের (স্থানীয়) নির্বাচনের বার্তা ‘স্পষ্ট’।
এর পাশাপাশি, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের লেবার পার্টির ৭২ জন সদস্য স্টারমারকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মূলত, গেলো সপ্তাহে স্থানীয় নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে লেবার পার্টির। যা নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে স্টারমারের দলে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে দলের দায়িত্ব নেয়ার মতো যোগ্য নন বলে মনে করছেন অনেকে।
অবশ্য নেতৃত্বের লড়াইয়ের কারণে বিশৃংখল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্টারমার। নিজেকে সংশোধনের সুযোগ দিতে দলীয় নেতাদের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

