

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি করেছে, দক্ষিণ লেবাননে একটি তথাকথিত ইয়েলো লাইন বা হলুদ সীমারেখা স্থাপন করা হয়েছে, যা আগে গাজা উপত্যকায় ব্যবহার করা হয়েছিল। লেবাননে এই ধরনের সীমারেখার উল্লেখ এটিই প্রথম। খবর আল-জাজিরার।
তারা আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় এই লাইনের কাছে কিছু সশস্ত্র ব্যক্তি অবস্থান নেয়, যাদের তারা হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে।
এর আগে, গাজায় এই ইয়েলো লাইন ব্যবহার করে অঞ্চলকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। একটি অংশ সরাসরি ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে এবং অন্য অংশে সীমিত চলাচলের অনুমতি ছিল। সেখানে এই লাইনের কাছে গেলেই গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে, এবং বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে।
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেইত লাইফ, কানতারা ও তুলিন শহরে গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েল বলছে, এসব হামলা আত্মরক্ষার অংশ এবং তা যুদ্ধবিরতির শর্তের বাইরে।
অপরদিকে হিজবুল্লাহ নেতা নাঈম কাসেম বলেন, যুদ্ধবিরতি তখনই কার্যকর হবে যখন উভয় পক্ষ তা মেনে চলবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, শুধু একতরফা যুদ্ধবিরতি হতে পারে না।
তিনি আরও দাবি করেন, ইসরায়েলকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে পুরোপুরি সরে যেতে হবে এবং যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে বন্দি বিনিময় ও পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
উল্লেখ, ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতির পর থেকেও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বহুবার তা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে লেবাননে হিজবুল্লাহ নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের মধ্যে শিগগিরই বৈঠক হতে পারে।

