

শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৮০ ভরি ওজনের ১৮টি স্বর্ণের বারসহ আলাউদ্দীন (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের প্রাইম ব্রিকস ইটভাটা-সংলগ্ন নাভারণ-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তার হেফাজত থেকে স্বর্ণের বারগুলোর পাশাপাশি একটি সুজুকি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মোট ওজন ২ কেজি ৯০ গ্রাম বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলায় চোরাচালানবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে শার্শা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল উপজেলার খাজুরা এলাকায় অভিযান চালায়। এতে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শামিনুল হক, উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ মোঃ জাহিদুল আলমসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্য অংশ নেন।
অভিযানের একপর্যায়ে দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের প্রাইম ব্রিকস ইটভাটা-সংলগ্ন নাভারণ-সাতক্ষীরাগামী পাকা সড়কে সন্দেহভাজন হিসেবে আলাউদ্দীনকে আটক করা হয়। পরে তাঁর হেফাজতে থাকা মালামাল তল্লাশি করে ১৮টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণের বার ও মোটরসাইকেল জব্দতালিকার মাধ্যমে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
গ্রেপ্তার মোঃ আলাউদ্দীন শার্শা উপজেলার হাড়িখালী (যদুনাথপুর) গ্রামের বাসিন্দা। সে ওই গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে।
চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের বিশেষ নজরদারি নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানকে সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত তৎপরতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আরিফ হোসেন জানান, এসময় এ ঘটনায় জড়িত আরো দুইজন অজ্ঞাত ব্যক্তি পালিয়ে যায়। তাদেরকে সনাক্ত করে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।
এ ঘটনায় একটি নিয়মিত চোরাচালান মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার করা স্বর্ণের বারের উৎস, পরিবহনের উদ্দেশ্য এবং এ ঘটনার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে উদ্ধার করা স্বর্ণের বারগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য, বৈধ কাগজপত্র এবং সম্ভাব্য গন্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

