ঢাকা
৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
রাত ৪:৪৩
প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬

জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার করবে না বিএনপি, এককভাবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তারেক রহমান। একই সঙ্গে নির্বাচনে এককভাবেই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসীও তিনি। শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামী। দলটি একসময় নিষিদ্ধ থাকলেও এখন আবার শক্ত অবস্থানে ফিরেছে। এই দুই দল ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত একসঙ্গে দেশ শাসন করেছে। দেশকে স্থিতিশীল করতে ঐক্য সরকার গঠনের লক্ষ্যে সেই জোট পুনরুজ্জীবিত করার ব্যাপারে জামায়াত আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে দীর্ঘদিনের মিত্র ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ একটি অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে।

নিজ দলীয় কার্যালয়ে ঐক্য সরকারের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সঙ্গে কীভাবে সরকার গঠন করবো? তাহলে বিরোধী দলে থাকবে কে?

তিনি আরও বলেন, জানি না তারা কতটি আসন পাবে। তবে যদি তারা বিরোধী দলে থাকে, তাহলে আমি আশা করি তারা একটি ভালো বিরোধী দল হবে।

তারেক রহমানের সহযোগীরা বলছেন, নির্বাচনে ৩০০ আসনের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনেই জয়লাভের বিষয়ে আশাবাদী তারা। এর মধ্যে ২৯২টি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাকি আসনগুলোয় জোটের শরিকরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

তবে বিএনপি চেয়ারম্যান নির্দিষ্ট করে আসন সংখ্যা বলতে রাজি হননি। বলেন, আমরা আত্মবিশ্বাসী, সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক আসন আমাদের থাকবে।

সব জনমত জরিপেই বিএনপির জয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। তবে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের কাছ থেকে শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। এই জোটে তরুণদের নেতৃত্বে শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলন থেকে উঠে আসা জেন-জিদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) রয়েছে।

ঢাকার একটি আদালত গত বছর দমন-পীড়নে ভূমিকার জন্য শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পরও তাকে আশ্রয় দেওয়ার ভারতের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে মারাত্মকভাবে চাপে ফেলেছে। একই সঙ্গে এতে চীনের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনে জয়ী হলে ভারত থেকে সরে গিয়ে চীনের দিকে ঝুঁকবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সক্ষম এমন অংশীদারই দেশের প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, আমরা যদি সরকারে থাকি, তাহলে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য আনতে হবে, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং মানুষ ভালোভাবে জীবন যাপন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সুতরাং বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যে দেশ আমার জনগণ ও দেশের জন্য উপযোগী প্রস্তাব দেবে, তাদের সঙ্গেই আমরা বন্ধুত্ব হবে-নির্দিষ্ট কোনো দেশের সঙ্গে নয়।

শেখ হাসিনার সন্তানেরা বিদেশ থেকে দেশে ফিরে রাজনীতিতে যুক্ত হতে পারবেন কি না, এ প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, যদি কেউ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হন, যদি মানুষ তাকে স্বাগত জানায়, তাহলে রাজনীতি করার অধিকার সবারই আছে।

প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮, মোবাইল: +880 2-8878026, +880 1736 786915, +880 1300 126 624, ইমেইল: online.bdsangbad@gmail.com (online)
news@bd-sangbad.com, ads@bd-sangbad.com
বাংলাদেশ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।  অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram